ফেসবুকের সাথে শেয়ার

আপনার আইবি কোড রাখুন বা সাধারণ অ্যাকাউন্ট নম্বর (ঐচ্ছিক)

টুইটারের সাথে শেয়ার

আপনার আইবি কোড রাখুন বা সাধারণ অ্যাকাউন্ট নম্বর (ঐচ্ছিক)

গুগলের সাথে শেয়ার

আপনার আইবি কোড রাখুন বা সাধারণ অ্যাকাউন্ট নম্বর (ঐচ্ছিক)

কিভাবে একটি ট্রেডিং সিস্টেম তৈরি করবেন

1200x400_en

একটি ট্রেডিং সিস্টেম খুঁজে পাওয়ার জন্য নিয়ম হচ্ছে ট্রেডে প্রবেশ করা এবং ট্রেড থেকে বের হয়ে আসা। এখানে কোন পবিত্র গার্ল সিস্টেম নেই। কোন সিস্টেমই অন্য কোন তুলনায় ভাল না। একটি ভাল সিস্টেম যা আপনার লক্ষ্যকে আপনার টাইম ফ্রেমকে, আপনার মূলধনকে এবং আপনার ব্যাক্তিত্বকে উপযুক্ত করে। একটি ট্রেডিং পদ্ধতি আপনাকে শুধু রিস্ক ম্যানেজ করতে সহযোগিতা করবে না বরং ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে ইমোশনকে দুরে রাখবে। এই আর্টিকেলটি আপনাকে ধাপে ধাপে ট্রেডিং পদ্ধতি ডিজাইন করতে গাইড লাইন দিবে-

ধাপ-১ আপনার টাইম ফ্রেম নির্বাচন করুন


নিজেকে জিজ্ঞাসা করা শুরু করুন, আপনার ফেবারেট টাইম ফ্রেম কোনটি? আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি কোন ধরনের ফরেক্স ট্রেডার। উদাহরণ স্বরূপ ডে ট্রেডার, সুইং অথবা পজিশন ট্রেডার। আপনি যদি কয়েক দিনের জন্য একটি ট্রেড ধরে রাখতে চান অথবা সপ্তাহ ধরে থাকেন তাহলে আপনি একটি সুইং ট্রেডার এবং আপনার প্রতি দিনের চার্ট দেখা উচিৎ। ডে ট্রেডাররা সর্ট টাইম ফ্রেম ব্যবহার করে যেমন ৫ মিনিটের চার্ট, ১ ঘণ্টার অথবা ৪ ঘণ্টার চার্ট। তারা দিনের মধ্যেই পজিশন ওপেন এবং ক্লোজ করে। তারা সারারাত ধরে তাদের ট্রেড ধরে রাখা পছন্দ করেনা। অবশ্যই আপনি মাল্টিপেল টাইম ফ্রেম ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু আপনাকে একটি নির্দিস্ট টাইম ফ্রেমে ট্রেড করার সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

ধাপ-২ ইনডিকেটর নির্বাচন করা যা আপনার ট্রেন্ডকে সনাক্ত এবং নিশ্চিত করবে


ট্রেন্ড হচ্ছে আপনার বন্ধু। এখানে বিভিন্ন ধরনের পথ রয়েছে ট্রেন্ড নির্বাচন করার। উদাহরণ সরূপ মুভিং এভারেজ হচ্ছে একধরনের সহজ পদ্ধতি। এইশর্তে আমাদের ফলস ট্রেন্ড থেকে দুরে থাকতে হবে। আমরা উপাদান সরূপ কিছু ইনডিকেটর ব্যবহার করতে পারি যেমন MACD, স্টোকাস্টিক, রিলেটিভ স্ত্রেংথ ইন্ডেক্স RSI, ADX, ইচিমোকু, ইত্যাদি। আপনার ট্রেডিং সিস্টেমের সাথে এইগুলো একত্রিত করতে পারেন কিন্তু আপনার একটার বেশি ইনডিকেটর ব্যবহার করা উচিৎ হবে না।

ধাপ -৩ আপনার ঝুঁকি নির্ধারণ করুন


এর মানে হচ্ছে আপনি একটি ট্রেডে কত লস করতে ইচ্ছুক। একটি ট্রেডে বেশি ঝুঁকি নেওয়া ঠিক হবে না। সাধারণ নিয়ম হচ্ছে একটি ট্রেডে আপনার ইনভেস্টের উপর ১%-২% ঝুঁকি নেয়া। আপনার ট্রেডিং সিস্টেমের উপর ঝুঁকি এবং মানি ম্যানেজমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা ছাড়া আপনি ভাল সংগ্রাম করতে পারবেন না যদিও আপনার ভাল ট্রেডিং সিস্টেম থেকে থাকে।

ধাপ -৪ এন্ট্রি নির্ধারণ এবং বের হওয়া, ঝুঁকি/ রিওয়ার্ড রেশিও


এই ধাপে আপনি খুঁজে পাবেন ট্রেড কোথায় এন্ট্রি নিবেন এবং কখন বের হবেন। এটা নির্ভর করবে আপনার ট্রেডিং সিস্টেমের উপর। কিছু ট্রেডার আছে যারা দ্রুত তাদের ইনডিকেটর থেকে ভাল সিগন্যাল পায় অথচ ক্যান্ডেল ক্লোজ হয়নি। অপরদিকে, কিছু ট্রেডার রয়েছে যারা সঠিক সিগন্যাল এবং ক্যান্ডেল ক্লোজ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করে। যখন বের হবেন তখন ট্রেইলিং স্টপ ব্যবহার করতে অথবা টার্গেট সেট করতে পারবেন। এটা আপনার ইচ্ছা। কিছু ট্রেডার টার্গেট হিসেবে নিকটবর্তি সাপোর্ট, রেসিস্টেন্ট লেভেল সেট করে। কিন্তু আপনার ঝুঁকি/ রিওয়ার্ড রেশিও ১, ১/২, ১/৩ অথবা আরোও কম রাখা উচিৎ হবে।

ধাপ -৫ আপনার নিয়ম অনুসরণ করুন


আপনার সব ট্রেডিং সিস্টেমের নিয়মগুলি লিখতে হবে এবং তাদের সাথে সবসময় থাকতে হবে। এটাকে ডিসসিপ্লিন বলে। এটা একটি ট্রেডারের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। এটি একটি যোদ্ধার অনুরূপ, আপনার যদি ডিসসিপ্লিন না থাকে আপনি ঠিকে থাকতে পারবেন না।
আপনার নিজের সিস্টেমে রিয়েল মানি দিয়ে ট্রেডিং এর পূর্বে আপনাকে বিষয়গুলো টেস্ট করা দরকার। প্রথম ধাপ হবে ব্যাকটেস্টিং এর মানে আপনি একটি প্রচলিত ঐতিহাসিক তথ্য সিস্টেমের নিয়ম প্রয়োগ করছেন। দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে কয়েক মাসের জন্য ডেমো ট্রেড করা। আপনার ডেমো অ্যাকাউন্টে ট্রেড করে প্রফিট কন্টিনিউ করতে থাকা তারপর আপনি লাইভ অ্যাকাউন্টে ট্রেড নিতে পছন্দ করবেন।